• বুধবার   ২৫ নভেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১০ ১৪২৭

  • || ০৯ রবিউস সানি ১৪৪২

দৈনিক জামালপুর

গ্লোব বায়োটেকের করোন ভ্যাকসিন নিয়ে আমরা আশাবাদী: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দৈনিক জামালপুর

প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর ২০২০  

দেশীয় প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের আবিষ্কৃত ব্যানকভিড করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নিয়ে বাংলাদেশ সরকার আশাবাদী বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের গ্লোব বায়োটেকের ভ্যাকসিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তালিকাভুক্ত করেছে। যদি ভালো প্রমাণিত হয় তাহলে আমরা অবশ্যই কনসিডার করব। বাংলাদেশের মানুষ সময়মতো ভ্যাকসিন পাবে। আমরা ওই ভ্যাকসিনটিই নেব, যে ভ্যাকসিনটি সুলভ মূল্যে পাওয়া যাবে, তাড়াতাড়ি পাওয়া যাবে। আমাদের দেশে ভ্যাকসিন দেওয়ার যেসব ক্ষমতা আছে সেটার সঙ্গে মিল রেখে আমাদের ভ্যাকসিন সিলেক্ট করতে হবে।

 

গতকাল রবিবার সকালে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে বাংলাদেশের সোসাইটি অব সার্জনস কর্র্তৃক আয়োজিত ‘রোল অব সার্জনস ইন কভিড পেন্ডামিক; বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে’ সংক্রান্ত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

 

একই অনুষ্ঠানে কভিড-১৯ প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি আগামী শীতে করোনার সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানায়।

 

কমিটির প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, করোনাভাইরাসের টিকা কবে আসবে তা কেউ জানে না। সুতরাং সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ ঠেকাতে হলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। ভ্যাকসিনের ব্যাপারে আশা থাকা ভালো, কিন্তু কবে আসবে আমরা জানি না। কোনো ভ্যাকসিন প্রোডাকশনে যায়নি। কেউ বলে না যে এটা এক বছর না দুই বছরে পাওয়া যাবে। এজন্য সবচেয়ে ভালো হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। মাস্ক পরা, হাত ধোয়া এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এগুলো কোনো রকেট সায়েন্স নয়। এই তিনটি কাজ করতে পারলে আমি মনে করি আমরা সেকেন্ড ওয়েভ থেকে হয়তো দূরে থাকব।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের ডেডিকেটেড কভিড হাসপাতালগুলোসহ ৭৮টি সরকারি হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এখন প্রতিটি প্রোগ্রামে স্বাস্থ্য বিভাগের সফলতার প্রশংসা করেন। এই সফলতার কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রীর, এরপর কৃতিত্ব ডাক্তার-নার্সদের। তাদের কাজের কারণেই এই সফলতা এসেছে। আমি এখানে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি মাত্র। আমেরিকা ইউরোপের বেহাল অবস্থা হয়েছে, এখনো আছে। কিন্তু বাংলাদেশ সীমিত জনবল, টেকনোলজি নিয়েও সবার পরিশ্রমে অন্য দেশের চেয়ে অনেক ভালো আছে।

 

সোসাইটি অব সার্জনস অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক এ এইচ এম তৌহিদুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম, বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী, স্বাচিপ সভাপতি অধ্যাপক এম ইকবাল আর্সলান প্রমুখ।

দৈনিক জামালপুর
দৈনিক জামালপুর