• সোমবার   ৩০ নভেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৬ ১৪২৭

  • || ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

দৈনিক জামালপুর

চা উৎপাদন হবে জামালপুরের বকশীগঞ্জে

দৈনিক জামালপুর

প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর ২০২০  

বাংলাদেশে চা উৎপাদনকারী এলাকা বলতে সিলেট বিখ্যাত। এছাড়াও চট্টগ্রাম ও পঞ্চগড়েও চায়ের উৎপাদন হয়। এসব এলাকার পাশাপাশি গারো পাহাড়ের এলাকা জামালপুরের বকশীগঞ্জে এই অর্থকরী ফসল চা উৎপাদনের নতুন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বকশীগঞ্জ উপজেলার পাহাড়ি এলাকার ৬০০ একর জমি রয়েছে, যেখানে চা চাষ সম্ভব।  বাংলাদেশ চা বোর্ড এ তথ্য জানিয়েছে।

 

ময়মনসিংহ অঞ্চলে ছোট পরিসরে চা চাষ বাড়াতে নতুন একটি প্রকল্প নিয়েছে চা বোর্ড। এক হাজার ২৩৫ একর জমিতে চা চাষ সম্প্রসারণে ৭৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকার এ প্রকল্প এখন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীনের সভাপতিত্বে প্রকল্পটির যাচাই-বাছাই কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

চা বোর্ড জানায়, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নগরায়ণ ও সামাজিক উন্নয়নের ফলে অভ্যন্তরীণ বাজারে চায়ের চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু বড় চা বাগান প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় জমি পাওয়া যাচ্ছে না। এ জন্য ছোট পরিসরে চা চাষ বাড়ানোর জন্য দীর্ঘদিন ধরে সরকার নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। পঞ্চগড়ে প্রথম ছোট পরিসরে চা চাষ শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ চা বোর্ড ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, নীলফামারী, দিনাজপুর, খাগড়াছড়ি, রাঙামটি এবং বান্দরবান জেলায় ছোট চা চাষ প্রকল্প সম্প্রসারণ করে। বর্তমানে দেশের উত্তরাঞ্চলে আট হাজার ৬৮০ একর জমিতে চা চাষ হচ্ছে। এ থেকে বছরে ৯৬ লাখ কেজি চা উৎপাদিত হয়।

 

চা বোর্ডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংস্থাটি সারাদেশে চা চাষের সম্ভাব্যতা যাচাই করেছে। এতে দেখা গেছে, জামালপুরের বকশীগঞ্জসহ সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, চট্টগ্রাম, পঞ্চগড়সহ বাইরে রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, ময়মনসিংহ, শেরপুর, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল এবং কক্সবাজার জেলায় মোট এক লাখ এক হাজার ৭২ হেক্টর চা চাষযোগ্য জমি রয়েছে।

 

২০০৪ সালে বৃহত্তর ময়মনসিংহ এলাকার চা চাষের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়। এতে দেখা গেছে, এ অঞ্চলের মাটির গুণাগুণ ও আবহাওয়া চা চাষাবাদের অত্যন্ত উপযোগী। জামালপুরের বকশীগঞ্জে ৬০০ একর  জমিতে চা আবাদ সম্ভব। 

দৈনিক জামালপুর
দৈনিক জামালপুর