সোমবার   ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৫ ১৪২৬   ১১ রবিউস সানি ১৪৪১

দৈনিক জামালপুর
৪১

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখবে একটি পাতা

প্রকাশিত: ২ ডিসেম্বর ২০১৯  

বহুমূত্র বা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীরা ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে কী না করেন! তবুও তা কমতেই থাকে। কারণ ডায়াবেটিস হলে শরীরে ইনসুলিন উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। আর এ কারণেই শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা স্বাভাৃবিক রাখতে ডায়াবেটিস রোগীরা নিয়মিত ইনজেকশন নিয়ে থাকেন। তবে জানেন কি? একটি পাতাই পারে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে।

 

অনেকেই মনে করেন, ধনেপাতা শুধু রান্নার স্বাদ বাড়াতে কাজে লাগে। একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যা দূর করতেও এর জুড়ি মেলা ভার! আসুন তবে জেনে নেয়া যাক ধনেপাতার কয়েকটি স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে যেগুলো হয়তো অনেকেরই অজানা-

 

আগেই জেনে নেয়া যাক ইনসুলিন কী?

ইনসুলিন হলো একটি হরমোন, যেটি মানবদেহের অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহান্টসের বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয়। আমরা যে খাদ্যই খাই না কেন, তার বেশিরভাগ অংশই শর্করায় পরিণত হয় এবং ইনসুলিন হরমোন এই শর্করাকে সারা শরীরের বিভিন্ন কোষে পৌঁছে দেয়। কোষে শর্করা জারিত হয়ে শক্তিরূপে সঞ্চিত থাকে। আমাদের শরীরে ইনসুলিন ব্যতীত রক্তে শর্করা পৌঁছে দেয়ার আর কোনো উপায় নেই।

 

এবার জেনে ডায়াবেটিস রোগীদের সুস্বাস্থ্যে ধনেপাতা কীভাবে উপকার করে?

ডায়াবিটিসে আক্রান্তদের জন্য ধনেপাতা অত্যন্ত উপকারী। ধনেপাতা রক্তে ইনসুলিনের ভারসাম্য বজায় রাখে আর রক্তে শর্করার পরিমাণও নিয়ন্ত্রণে রাখে। অত্যাধিক ফাইবার রয়েছে এই পাতায়ে। যা আপনাকে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখবে। ডায়াবেটিস রোগীর ডায়েটে ফাইবার জাতীয় খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

 

বিজ্ঞান জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা যায়, ধনেপাতা ডায়াবেটিস রোগীর জন্য খুবই উপকারী। ডায়েটারি ফাইবারযুক্ত এই পাতা অন্ত্রে থাকা ব্যাকটেরিয়া দূর করে। এছাড়াও টাইপ ২ ডায়াবেটিসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহায্য করে। 

 

কীভাবে ব্যবহার করবেন ধনেপাতা?

ধনেপাতার জুস পান করলেই আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ থাকবে। যার ফলে ইনসুলিনের মাত্রাও স্বাভাবিক থাকবে। এজন্য কয়েকটি ধনেপাতা পরিষ্কার করে একটি একটি বোতলে ভরে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন সারা দিন সেই পানি পান করুন। আবার ধনে পাতার জুস বানিয়েও এই খেতে পারেন। ধনিয়া বীজও কিন্তু  ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

 

দৈনিক জামালপুর
দৈনিক জামালপুর