• শুক্রবার   ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ||

  • ফাল্গুন ১৪ ১৪২৭

  • || ১৪ রজব ১৪৪২

দৈনিক জামালপুর

তারেকের দুর্নীতি: ইউএসএইডের কন`ডমের চালানও রেহাই পায়নি

দৈনিক জামালপুর

প্রকাশিত: ১৯ জানুয়ারি ২০২১  

ভাঙ্গা ব্রিফকেস ও ছেড়া গেঞ্জির কল্পকথা বলে সততার লেবাস পরিয়ে জিয়া পরিবার ভাওতাবাজি করেছে। জিয়া এমন সৎ যে হাজিদের জন্য কেনা হিজবুল বাহারে তরুন-তরুনীদের নিয়ে প্রমোদ ভ্রমণের মত বিলাসী অনুষ্ঠান করতেন রাষ্ট্রের টাকায়!  পৃথিবীতে ভণ্ডামী, মিথ্যা, অপপ্রচার ও দুর্নীতির জন্য যদি পদক দেয়ার প্রচলন থাকতো, তাহলে জিয়া পরিবারের সকলে শুধু পদকই পেত না, রোল মডেল হিসেবে গণ্য হতো। 
দুর্নীতির মুকুটহীন সম্রাট তারেক : 
হাওয়া ভবন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে জোট সরকারের আমলে দুর্নীতি এমন রূপ নিয়েছিল যে ইউএসএইডের কনডমের চালানও ঘুষের জন্য আটকে রাখা হয়েছিল। পরবর্তিতে এ সংবাদ আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় এলে টনক নড়ে। ২০০৫ সালের ১১ মে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস থেকে ওয়াশিংটনে পাঠানো হ্যারি কে টমাসের পাঠানো তারবার্তায় "হাওয়া ভবন 'ছায়া সরকার'; নিয়ন্ত্রক তারেক রহমান" উল্লেখ করে বলা হয়। এবার দেখুন উইকিলিকসে তারেক রহমান সম্পর্কে প্রকাশিত/প্রেরিত যুক্তরাষ্ট্রের নথিতে কি বলা হয়েছে:
→  তারেক "Notorious" এবং বিএনপি সরকার "kleptocratic government" এর প্রতীক। 
→ তারেক দুর্নীতি, ঘুষ, চাঁদাবাজি, কর ফাঁকি, টাকার বিনিময়ে পদ বিক্রি, ক্ষমতার অপব্যবহার, আদালতকে প্রভাবিত করা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বাধা দান, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে পৃষ্ঠপোষকতাসহ বিভিন্ন অনৈতিক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। 
→ বিএনপির দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি সরকারী কাজ ও দেশি কোম্পানীতেই সীমাবদ্ধ ছিল না, সীমেন্স থেকে তারেক ও কোকো কোকোর ঘুষ নেয়ার মামলাটি এফবিআই-এর তদন্ত করছে। 
→ চীনের হার্বিন কোম্পানী তাকে ৭,৫০,০০০ ডলার ঘুষ দিয়েছে যা সিঙ্গাপুরের সিটি ব্যাংকে ট্রান্সফার করা হয়। 
→ আবদুল মোনেম কনস্ট্রাকশন তারেককে ৪,৫০,০০০ ডলার ঘুষ দিয়েছে। 
→ কবীর হত্যা মামলায় প্রভাব খাটাতে ৩.১ মিলিয়ন ডলার ঘুষ নিয়েছে। 
→ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট থেকে ২০ মিলিয়ন টাকা হস্তগত করেছে। 
→ মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার চুরি করে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বৈদেশিক বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত করেছে। ৮. বাংলাদেশে তার মত নেতা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সুশাসন, উন্নয়ন ও আঞ্চলিক শান্তি রক্ষায় হুকমি স্বরূপ। 
→ ঘুষের টাকার জন্য ২০০২ সালে ইউএসএইডের অর্থায়নে আসা কনডমের চালান এক মাস আটকে রাখা হয়েছিল।
→ ৬০ জনের মন্ত্রিপরিষদের এক-তৃতীয়াংশই তারেকের অনুগতদের ও মোটা অংকের বিনিময়ে বিক্রি করা হয়েছে। 
→ তারেক খুবই নির্দয়, দুর্নীতিগ্রস্ত, একাডেমিক পড়াশোনার অবস্থাও খুব ভালো নয় এবং রাজনীতিতে অপরিপক্ব। তারেকের মত দুর্নীতিবাজ গণতন্ত্র, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরূপ।
▶ আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারী তথ্য মোতাবেক তারেক রহমানের কয়েকটি পাসপোর্ট রয়েছে। ২০০৮ সালে সে একটি পাসপোর্টের মাধ্যমে (১১ মে, ২০০৫ এ ইস্যুকৃত) যুক্তরাজ্যের ভিসা নিয়েছিল যা ২০১০ সালে স্বরাষ্ট্র সচিবের নির্দেশে রিনিউ করা হয়। অপর একটি পাসপোর্ট জমা দেয়া হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য। তার বিরুদ্ধে অর্থপাচারের সুস্পষ্ট অভিযোগ থাকায় Immigration and Nationality Act এর 212(f) ধারা এবং Presidential Proclamation 7750 অনুসারে তারেকের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। 

দৈনিক জামালপুর
দৈনিক জামালপুর