সোমবার   ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৫ ১৪২৬   ১১ রবিউস সানি ১৪৪১

দৈনিক জামালপুর
৪৫১

দেওয়ানগঞ্জের "এই সেই ব্রীজ"

প্রকাশিত: ২৩ নভেম্বর ২০১৯  

জামালপুরের দেওয়ানগন্জ্ঞ উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নের হারুয়াবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে। হারুয়াবাড়ী টু বাগানবাড়ী রাস্তার মাঝে, হারুয়াবাড়ী সঃ প্রাঃ বিঃ এর সামনের ভাঙ্গা জায়গা।

 

যার আশা আকাঙ্ক্ষায়, জনসাধারণ দিনের পর দিন প্রহর গুনছিলো। প্রায় ১৫ থেকে ২০ বছর মানুষের চাওয়া পাওয়া,  আনাগোনার মধ্যে দিয়েই কেটে গেলো। হঠাৎ মাননীয় এমপি মহোদয়, আলহাজ্ব আবুল কালাম আজাদ সাহেবদের সু নজরে আসায়, ২০১২-১৩ অর্থ বছরে বাজেট প্রাপ্ত হয়। ২০১৩ সালে ঠিকাদার আলহাজ্ব মুমিনুল ইসলাম (লাল মিয়া) মুহুরির দায়িত্বে ব্রীজটি সম্পন্ন করা হয়। কিন্তু  এলাকাবাসীর ভাগ্যে দূর্ভোগ সৃষ্টি হয়। 

 

এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায় যে, ২০১৩ সালে ব্রীজটি সম্পন্ন করা হলে, উদ্বোধন করার দু দিন আগেই ব্রীজটি ভেঙে যায়। শুরু হয় এপার ওপার ১৫ টি গ্রামের প্রায় ৫০০০ মানুষের জীবনের দূর্ভোগ। এলাকাবাসী আরও জানায়, ব্রীজ হওয়ার পূর্বে সেখানকান আশেপাশের প্রায় ৬০থেকে ৭০ বিঘা জমিতে ইরি (বোরো) ধান চাষাবাদ হতো। কিন্তু ব্রীজ ভেঙে পানির স্রোতের তীব্রতায় সেখানে বিশাল আকারে গর্তের সৃষ্টি হয় এবং আশেপাশের ৬০থেকে ৭০ বিঘা জমিতে পরে শুধু বালু আর বালু। মানুষ তো পারারার হতেই পারে না, জনসাধারণের দূর্ভোগের আর শেষ নেই। এই ভাঙ্গা ব্রীজের আশেপাশে রয়েছে ৫ থেকে ৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একাধিক হাফিজিয়া মাদ্রাসা, নূরানী মাদ্রসা, মহিলা মাদ্রাসা, কওমী মাদ্রাসা সহ অনেক গুলি জামে মসজিদ। এলাকাবাসীর ৬০ থেকে ৭০ বিঘা জমি বালুর নিচে পরে থাকলেও ব্রীজটি পূণঃনির্মাণের কোন ব্যবস্থা হয় নি। তাই এলাকা বাসীর প্রত্যাশা দ্রুত যেন ব্রীজের সু ব্যবস্থা করা হয়।  আমি স্বংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সহ উপর মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

 

ইতি

মোঃ ফরিদুল ইসলাম( ফরিদ)

দেওয়ানগঞ্জ, জামালপুর।

দৈনিক জামালপুর
দৈনিক জামালপুর