সোমবার   ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৫ ১৪২৬   ১১ রবিউস সানি ১৪৪১

দৈনিক জামালপুর
৩৮

পলাশবাড়ীতে আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বিল্ডিং নির্মাণ

প্রকাশিত: ৩ ডিসেম্বর ২০১৯  

গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের আমলাগাছী মৌজায় জে এল নং -১১৭,সি এস খতিয়ান নং-৪০৯,আর এস খতিয়ান নং-৪৭৮,দাগ নং-১৭৬ জমি মোট ৪. ২৮ একর যাহার উত্তরে ইউপি রাস্তা পূর্বে ও দক্ষিণে আঃ মজিদ দিং,তোফাজ্জল শেখ দিং এর চৌহদ্দির মধ্যে ১২ শতক জমি নালিশী জমি যাহার দাগ নং-৬২০ তে আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বি¬ডিং বাড়ী নির্মাণ করছেন অবঃপ্রাপ্ত সেনা সদস্য সাইফুল আলম গং। 

 

আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এ বিল্ডিং বাড়ী নির্মাণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মাঝে বড় ধরণের সংঘর্ষের আশংঙ্কা করছে স্থানীয় সচেতন মানুষ।

 

এ নালিশী জমি গুলো নিয়ে সাইফুল গং এর বিরুদ্ধে আদালতে বাটোয়ারা মামলা দায়ের করেছে একই গ্রামের মিজানুর রহমান গং এর পর হতে উক্ত জায়গায় স্থায়ী কোন অবকাঠামো তৈরীর কাজ বন্ধ ছিলো । পরবর্তীতে আবারো স্থায়ী অবকাঠামো তৈরী করার পায়তারা করলে তা রোধকল্পে বাদি পক্ষ আইন ও আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বিজ্ঞ আদালতের স্মরণাপন্ন হন এ মামলার মূলে বাদি পক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ২৮ নভেম্বর বিজ্ঞ সহকারি জজ আদালত পলাশবাড়ী গাইবান্ধা অস্থায়ী নিধেধাজ্ঞার এ আদেশ জারি করেন। আদালতের আদেশের কপি প্রেরণে পিয়ন আসলেও বিবাদী সাইফুল গং আদেশের কপি গ্রহন না করায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে স্বাক্ষী রেখে এক কপি বিবাদীর বসতবাড়ীতে আটা দিয়ে লেগে দেয় আদেশ কপি প্রেরণকারী ।

 

উক্ত জমি কে কেন্দ্র করে একাধিকবার স্থানীয় ভাবে দ্বন্দ কোলহের ফলে আদালতে স্মরণাপন্ন হয় বাদী। কিন্তু আদালতে মামলা চলমান সময়ে আইন অমান্য করে স্থায়ী দখলের পায়তারায় সোচ্চার বিবাদীগং। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ কোলহসহ রক্তক্ষয়ি সংঘষের  আশংঙ্কা সকলের মনে। এদিকে আদালতের আদেশ অমান্য করে সাইফুল গং বিল্ডিং নির্মান কাজ চলমান রাখায় ২ ডিসেম্বর সোমবার বাদী মিজানুর রহমানের লোকজন কাজে বাধা দিলে উভয় পক্ষের মাঝে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটলে পলাশবাড়ী থানা পুলিশ এস আই কামাল হোসেন সঙ্গীয় ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে এবং আদালতের আদেশ অনুযায়ী কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়।

 

আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে বিল্ডিং নির্মান কাজ চলমান রাখা বিষয়ে সাইফুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এরকম কোন আদেশের কপি আমি এখনো পায়নি। ক্রয় সূত্রে জমির মালিক আমার ছেলে আমারা আগে হতেই কাজ চলমান রেখেছি।

 

বিষয়টির স্থায়ীভাবে সুষ্ঠু সমাধানে আইন শৃংখলা রক্ষায় নিয়োজিত সকলের প্রয়োজনী হস্তক্ষেপ কামনা করেন স্থানীয়রা।

দৈনিক জামালপুর
দৈনিক জামালপুর
এই বিভাগের আরো খবর