শনিবার   ১৮ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ৪ ১৪২৬   ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

দৈনিক জামালপুর
৩৬

পালংশাক এ কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি!

প্রকাশিত: ১১ ডিসেম্বর ২০১৯  

শাক-সবজি অবশ্যই মানবদেহের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। তেমনি পালংশাক পুষ্টিকর ও শক্তি বর্ধক। তাইতো খাদ্য তালিকায় এর স্থান থাকে সবার আগে। তবে পালংশাকের উপকারিতা যেমন আছে, তেমনি অপকারিতাও রয়েছে।

 

অতিরিক্ত পালংশাক খাওয়া হলে নানান শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। পুষ্টি-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে অতিরিক্ত পালংশাক খাওয়ার প্রভাব সম্পর্কে জানানো হল-

 

বাতের ব্যথা

বাত বা আর্থ্রাইটিসের প্রদাহ যা মূলত শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি থাকার কারণে হয়ে থাকে। পালংশাকে আছে পরিশোধক উপাদান যৌগ যা ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়ায়। ফলে বাতের ব্যথা বৃদ্ধির ঝুঁকি বেড়ে যায়।

 

বৃক্কে বা কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি

পালং ‘অক্সালেটস’ যৌগ সমৃদ্ধ যা পাথর সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে। তাই পালং খাওয়া কিডনি বা বৃক্কে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। মূত্রে ‘অক্সালাট’ বৃদ্ধির ফলেই মূলত কিডনিতে পাথর দেখা দেয়।

 

খনিজ শোষণে প্রভাব

পালং খাওয়া কেবল বৃক্কে পাথর হওয়ার ঝুঁকিই বাড়ায় না পাশাপাশি খনিজ শোষণেও প্রভাবিত করতে পারে। ‘অক্সালেটস’ এক ধরনের পুষ্টি-পরিপন্থি উপাদান যা খনিজ শোষণে বাধা দেয়। বিশেষত, ক্যালসিয়াম ও লৌহ শোষণে বাধা দিতে পারে এই উপাদান।

 

রক্ত পাতলা করতে বাধা দেয়

রক্ত ঘন হতে বাধা তৈরি করে রক্ত পাতলা হওয়া ওষুধ। পালংশাক ভিটামিন কে সমৃদ্ধ, যা রক্ত ঘনীভূত করে। ফলে অতিরিক্ত পালংশাক গ্রহণ করলে রক্ত পাতলা হওয়া ওষুধের কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে।

 

রক্ত চাপ কমাতে পারে

পালংশাক রক্তচাপ কমানোতে প্রভাব রাখতে পারে। তবে পরিমাণে বেশি পালংশাক খাওয়া হলে তা রক্তচাপ অনেক বেশি কমিয়ে ফেলতে পারে। ফলে দুর্বল ও বমি বমি ভাব অথবা বুক ব্যথার মতো সমস্যা দেখা দেয়ার সম্ভাবনা থাকে।

 

দৈনিক জামালপুর
দৈনিক জামালপুর
এই বিভাগের আরো খবর