• সোমবার   ১০ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২৬ ১৪২৭

  • || ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

দৈনিক জামালপুর
সর্বশেষ:
বক‌শীগঞ্জ যাত্রী প‌রিবহ‌নে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, মানা হ‌চ্ছেনা স্বা পুনরায় বিজয়ী হওয়ায় রাজাপাকসেক কে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন পাহাড়ে থাকা উপজাতিদের বুঝতে হবে ও নির্ধারণ করতে হবে তারা কি চান? আদিবাসী বিষয়ক আন্তর্জাতিক সনদ বাস্তবায়ন করতে বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট জামালপুরে প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার মালিক সমিতির সভা দেওয়ানগঞ্জে বঙ্গমাতার জন্মবাষির্কী উপলক্ষে সেলাই মেশিন বিতরণ কাজিপুরে বঙ্গমাতা সাংস্কৃতিক জোটের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা মাটির দিকে চেয়ে চলতে শিখিয়েছেন : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতিরা কি Indigenous নাকি Tribe? আজ বিশ্ব আদিবাসী দিবস উদযাপন নিয়ে পাহাড়ে ধুম্রজাল
২৪৪

“প্রকৃতির পরিবর্তন”

দৈনিক জামালপুর

প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল ২০২০  

আজ আমরা একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করতে যাচ্ছি। সেটা হলো বৈশ্বিক মহামারী করোণা ভাইরাস,এটার কারণে সারা বিশ্বব্যাপী এক লক্ষের উপরে অনেক গুণী জ্ঞানী বুদ্ধিজীবী মানুষকে হারাতে হয়েছে। আমাদের বাংলাদেশেও এর বাইরে নয়, বর্তমানে লকডাউন চলছে।সেনাবাহিনী পুলিশ বাহিনী ডাক্তার নার্স মেডিকেল কর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই মহামারিতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।সেটা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়েছে একমাত্র বঙ্গ কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কারণে উনার দ্বারা সবই সম্ভব ইনশাআল্লাহ।

 

    এই মহামারিতে আমাদের অনেক শিক্ষনীয় জিনিস দেখতে হচ্ছে এবং দেখতে পাচ্ছি সবচেয়ে বড় বিষয় হলো মানবতা। সে ক্ষেত্রে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি যেমন যাদেরকে আমরা জনপ্রতিনিধি বানিয়েছি মেম্বার চেয়ারম্যান উপজেলা চেয়ারম্যান এবং এম পি পর্যন্ত। 

 

এরা একটি জেলার জনপ্রতিনিধি এদের হাত ধরে বৈশ্বিক এই করোণা ভাইরাসের সামনে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকতে হবে। আমাদের এই আশা টুকু উল্টো দিকে চলতে লাগলো আমরা দেখলাম কি ? এরা বরং মানবতা না দেখিয়ে উল্টোটা দেখাতে শুরু করলো। যেমন, চাল চোর, ত্রাণ চোর, মুনাফাখোর, মেডিকেল সামগ্রী ক্রয়ের নামে লুটতরাজ এবং অনেক বড় বড় নেতা থেকে এমপি-মন্ত্রী পর্যন্ত গা ঢাকা দিয়ে লুকিয়ে  আছে। কারণ তাদেরকে আগে বাঁচতে হবে তারা বাঁচলে আমরা জনগন বাঁচবো।

 

অথচ তারা একবারও চিন্তা করে না গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনগণের ট্যাক্সের মাধ্যমে সরকারকে এই জন প্রতিনিধিদের বেতন দিতে হয় । এদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।

 

     বর্তমানে আমরা করোনা ভাইরাস নিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ হওয়াতে বৈশ্বিক অনেক কিছু দেখতে পাচ্ছি । এটার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।আজকে দেখেন মানবতার শহর ইতালি , মেডিসিনের শহর সুইজারল্যান্ড ,প্রযুক্তি শহর জার্মানি ,ক্ষমতার শহর আমেরিকা দিশাহারা হয়ে পৃথিবীর সবার থেকে সাহায্য চাচ্ছে। তাদের মেডিকেল সামগ্রী সংকটে পড়েছে। নিউ নিউইয়র্ক থেকে অন্যান্য শহর লকডাউন চলছে কিন্তু মৃত্যুর মিছিল শেষ হয়নি । সেই থেকে আমরা এবং আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রতিদিন মৃত্যুর সংখ্যা পাঁচজন থেকে দশ জনের মধ্যে আছে। আশা করি এটাও কমে যাবে ইনশাল্লাহ।

 

     এই মহামারী শেষ হলে বিশ্বের মধ্যে একটি পরিবর্তন আসতে পারে তা আমরা ইতিমধ্যে দেখতে পারছি বড় বড় নদীর পানি নীল বর্ণের হয়ে যাচ্ছে।বিভিন্ন বিরল প্রজাতির মাছ দেখতে পারছি এবং রাস্তাঘাটে বন-জঙ্গল পাহাড়-পর্বত হতে নেমে আসা বিরল প্রজাতির প্রাণী ।এই পরিবর্তন এর আগে আমরা কখনো দেখি নাই। 

 

আমাদের প্রধানমন্ত্রী এখনো সংগ্রাম করে যাচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য । তার সুফল অনেকে দেখতে পাচ্ছেন পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় আমাদের দেশ অনেক নোংরা প্রকৃতির। তার কারণ আমরা নিজেরাই আজকে উন্নয়নশীল দেশের দিকে তাকিয়ে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত সবাই পারলে আমরা পারব না কেন ? আমাদের পারতে হবে এটার জন্য সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে।তা হচ্ছে পুরো শহরটাকে সিসি ক্যামেরার চাদরে ঢেকে দিতে হবে। 

 

ক্যামেরা গুলো একটি ওয়ার্ড কাউন্সিলর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত থাকবে, তাহলে যে বাসা কিংবা লোক দ্বারা ময়লা যেখানে-সেখানে ফেলে যায় , সেটা সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ধরা পড়ে যাবে হয়তো অন্যান্য দেশের ন্যায় নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতে পারে। আমি আশা করব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার এই সামান্য টুকু উদ্যোগের কথা চিন্তা করলে হয়তো প্রকৃতির , প্রতি বছরের মতো ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া ম্যালেরিয়া করোনা ভাইরাস,ও অন্যান্য মহামারী থেকে আমরা মুক্তি পাব। 

 

তবে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে কোন ধরনের গুজবে কান দেওয়া যাবে না। গুজব থেকে বিরত থাকুন সরকারের নির্দেশ না আসা পর্যন্ত ঘরে থাকুন নিরাপদে থাকুন এবং অন্যকে থাকার জন্য উদ্বুদ্ধ করুন।অতি প্রয়োজন ছাড়া বাহিরে যাবেন না সর্বশেষ প্রকৃতির পরিবর্তন যেটা আমরা দেখতে পাচ্ছি, তা হলো মানুষের লকডাউন হওয়াতে ঘরবন্দি হয়েছে। 

 

সে কারণে বন-জঙ্গল পাহাড়-পর্বত থেকে যে ধরনের বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণী মানুষ দেখলে পালিয়ে বেড়ায়, আজ তারা বিশ্বের বড় বড় শহর গুলোতে মানুষবিহীন রাস্তায় বিচরণ করছে এবং নদীর পানি ছিল ঘোলা তা বর্তমানে নীল রঙে পরিবর্তন হয়েছে এবং যে সমস্ত দেশে বরফ দ্বারা আবৃত ছিল। 

তাহা ইতিমধ্যে পূর্বের ন্যায় হতে চলেছে এটাই হচ্ছে প্রকৃতির পরিবর্তন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বারবার জলবায়ুর ব্যাপারে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে এবং এই নেতৃত্ই মহামারীর পরিবর্তনের পরে উনার নেতৃত্বে জয় হবে ইনশাআল্লাহ। শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখুন। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, জয় বঙ্গমাতা। 

 

লেখক 

জুলফিকার আলী,

সচেতন নাগরিক,

চট্টগ্রাম।

দৈনিক জামালপুর
দৈনিক জামালপুর