রোববার   ১৯ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ৬ ১৪২৬   ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

দৈনিক জামালপুর
সর্বশেষ:
আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে বন্ধ থাকবে ঢাকার যেসব সড়ক চীনে প্রাণঘাতী ভাইরাস থেকে রক্ষায় শাহজালাল বিমানবন্দরে সতর্কতা নির্বাচন সুষ্ঠু করতে বাংলাদেশ সরকার বদ্ধপরিকর: সমবায় মন্ত্রী নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করায় অনশন ভেঙে শিক্ষার্থীদের উল্লাস বই নয় কম্পিউটার নিয়ে বিদ্যালয়ে আসবে শিক্ষার্থীরা: প্রতিমন্ত্রী সম্পদ ভাগ করলে, দারিদ্র্য ইতিহাসে চলে যেতো: গভর্নর সমুদ্রের ফেনা পরিমান গুনাহ মাফের তাসবিহ দেওয়ানগঞ্জে চর আমখাওয়া’র দু’টি গ্রামে বিদ্যুতায়ন উদ্বোধন “খুনি মোস্তাক ও জিয়ার উত্তরসূরীদের বিরুদ্ধে আজীবন সংগ্রাম চলবে” সানন্দবাড়ী আকন্দ পাড়া নৌঘাটে একটা সেতু আবশ্যক
১০২

বরিশালের স্কুলছাত্র আবিষ্কার করলো বাংলায় কথা বলা রোবট

প্রকাশিত: ২৪ নভেম্বর ২০১৯  

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় শুভ কর্মকার নামে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্র আবিষ্কার করলো রোবট। রবিন নামের অত্যাধুনিক এই রোবট বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই কথা বলতে পারে। শুধু তাই নয়, রবিন বলতে পারে তার আবিষ্কারক ক্ষুদে বিজ্ঞানীর নামও। 

 

এছাড়া রোবটটি তার দেশ, প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতির নামসহ যে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে অকপটে। এমনকি আশপাশে আগুন লাগলে সে খবরও দিতে পারবে ফায়ার সার্ভিসে। আর এই অত্যাধুনিক রোবটটির আবিষ্কারক বরিশালের আগৈলঝড়া উপজেলার গৈলা কালুপাড়া গ্রামের শুভ কর্মকার।

 

এই ক্ষুদে বিজ্ঞানীর বাবা সন্তোষ কর্মকার এবং মা দীপ্তি কর্মকার। দুই ভাই-বোনের মধ্যে শুভ বড়। সে সরকারি গৈলা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র।

 

ছোট বেলা থেকেই শুভ বিজ্ঞান মেলায় অংশগ্রহণ করতো। শুধু অংশই নিতো তা নয়, অনেক সময় সেসব প্রতিযোগিতায় পুরস্কারও জিতে নিতো। আর এসব কাজে থাকতে থাকতে এক সময় তার মনে হলো, অন্য অনেকের মতো সেও একটা রোবট বানাতে পারে। তবে তার রোবট হবে গতানুগতিক রোবট থেকে একটু আলাদা। 

 

আর সে লক্ষ্য নিয়েই ২০১৮ সালের মে মাসে রোবট তৈরির কাজ শুরু করে, যা প্রাথমিকভাবে শেষ করে চলতি বছরের জানুয়ারিতে। রোবটের নাম রাখা হয় রবিন। আমেরিকার একটি কার্টুন শোর সুপার হিরোর নামানুসারে এই নাম দেয়া হয়। এরপর থেকেই রবিনের পরিচিতি চারদিকে ছড়িয়ে পড়তে থাকে।

 

রবিনের আবিষ্কারের ব্যাপারে শুভ কর্মকার বলে, ইন্টারনেট থেকে বিভিন্ন তথ্য নিয়ে এবং ইউটিউব থেকে বিভিন্ন ভিডিও দেখেই রোবটটি তৈরি করেছি। একে আরো উন্নত করতে এখন কাজ করছি।

 

বর্তমানে তার দৃষ্টিশক্তি নেই, আগামীতে সে সবাইকে দেখতে পারবে। সেই সঙ্গে কারো সঙ্গে একবার পরিচয় হলে তাকে পরবর্তীতে দেখলে চিনতে পারবে এবং বিভিন্ন সমস্যা নিজে দেখে সমাধান করতে পারবে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, আমার এই রোবট অনেক কিছু নিজে নিজেই শিখতে পারে। এর জন্য কোনো কোডিংয়ের প্রয়োজন হয় না অর্থাৎ কিছুটা সেল্ফ লার্নিং আয়ত্ত করে নিয়েছে।

দৈনিক জামালপুর
দৈনিক জামালপুর
এই বিভাগের আরো খবর