• রোববার   ০৯ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২৫ ১৪২৭

  • || ১৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

দৈনিক জামালপুর
সর্বশেষ:
বঙ্গমাতার ৯০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনে গাইবান্ধায় সেলাই মেশিন বিতরণ বঙ্গমাতার ৯০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনে গাইবান্ধায় সেলাই মেশিন বিতরণ ‘নগদ’র মাধ্যমে শেখ হাসিনার উপহার পেলেন ১ হাজার ৩শত দুস্থ নারী ‘নগদ’র মাধ্যমে শেখ হাসিনার উপহার পেলেন ১ হাজার ৩শত দুস্থ নারী প্রতি ডোজ ২৫৪ টাকায় করোনার টিকা পাবে বাংলাদেশও বাংলাদেশে কোন আদিবাসী নেই, আছে উপজাতি: সন্তু লারমা ও রাজা দেবাশীষ “বাংলাদেশের সঙ্গে আরো জোরালো সম্পর্ক গড়ার উদ্যোগ ভারতের” সর্বোচ্চ বৈদেশিক সাহায্য ॥ নতুন রেকর্ড বাংলাদেশের ইতিহাসে পার্বত্য চট্টগ্রামকে আলাদা রাষ্ট্র বানাতে নিজেদেরকে আদিবাসী দাবি “পোশাকশিল্পে অবিশ্বাস্য রকমের প্রবৃদ্ধি হবেই”
১০৭

শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে জেনে নিন ঘরোয়া উপায়

দৈনিক জামালপুর

প্রকাশিত: ৯ জানুয়ারি ২০২০  

নবজাতক থেকে দুই বছর বয়সী শিশু বাচ্চাদের মায়ের বুকের দুধ সবচেয়ে আদর্শ খাবার। এটি খুব সহজেই হজম হয়ে যায়। তবে যে শিশুরা বুকের দুধ খায় না সেসব শিশুদের ডায়রিয়া এবং কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। 

 

এসময় আপনার বাচ্চার কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে। তবে আতঙ্কিত না হয়ে ঘরেই এর সমাধান করতে পারেন। জেনে রাখুন কী করবেন- 

 

জেনে নিন শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্যের লক্ষণগুলো- 

 

> পেট শক্ত হয়ে থাকা

> শক্ত ও নুড়িযুক্ত মলত্যাগ   

> খাবারে অরুচি

> মলের সঙ্গে রক্ত পড়া 

 

ব্যায়াম করান

প্রাপ্তবয়স্কদের মতো শিশুরও অন্ত্রের ব্যায়াম প্রয়োজন এসময়। এজন্য শিশুকে শুইয়ে দিয়ে পা দুটি সাইকেল চালানোর মতো করে ব্যায়াম করান। এতে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা অনেকাংশে কমে যায়। 

 

উষ্ণ গরম পানিতে গোসল 

শিশুর পেট শিথিল করতে এবং হজমের সমস্যা এড়াতে উষ্ণ গরম পানিতে গোসল করান। এতে করে আপনার শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে স্বস্তি পেতে পারে। 

 

খাবারে পরিবর্তন আনুন

অনেক সময় শিশুদের বাড়তি যে খাবারগুলো দেয়া হয় তার থেকেও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারে। তাই এসময় ফাইবারযুক্ত খাবার দিতে পারেন। সঙ্গে বুকের দুধ খাওয়ান। 

 

শিশুকে হাইড্রেট রাখুন 

নবজাতকদের ক্ষেত্রে সাধারণত মায়ের বুকের দুধ ছাড়া অন্য কোনো তরলের প্রয়োজন হয় না। তারপরও সামান্য পানি খাওয়াতে পারেন। ছয় মাস বা তার বেশি শিশুকে এসময় ফলের রস দিতে পারেন। 

 

ম্যাসেজ

শিশুর পেটে ম্যাসেজ করা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে। ঘড়ির কাঁটার মতো বৃত্তাকারে শিশুর পেটে ম্যাসাজ করুন। বিশেষ করে নাভির চারপাশে এভাবে ম্যাসাজ করতে থাকুন। 

 

কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন? 

 

> মলের সঙ্গে রক্ত থাকলে

 

> পেটে জ্বালাপোড়া বলে মনে হলে  

 

> মলত্যাগ করার সময় কাঁদলে 

 

> শিশুর পেটে ব্যথা হলে

 

> উপরের প্রতিকারগুলোর কোনোটিই কাজ না করলে 

দৈনিক জামালপুর
দৈনিক জামালপুর
স্বাস্থ্য বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর