মঙ্গলবার   ২১ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ৭ ১৪২৬   ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

দৈনিক জামালপুর
৭৩

সূর্যের সোনালী রোদে মেট্রোরেলের ঝিলিক

প্রকাশিত: ৭ ডিসেম্বর ২০১৯  

কোথাও টানা চলে গেছে মাইলের পর মাইল। আবার কোথাও গিয়ে বাঁক নিয়েছে পথ। আবার কোথাও কোথাও এখনও পাটাতন পড়েনি। নির্দিষ্ট দূরত্বে দাড়িয়ে আছে কংক্রিটের পিলার।
 
রাজধানী ঢাকার মেট্রোরেলের চেহারাটা এখন এমনি। রাজধানীবাসী যারা যানজটে নাকাল তারাও এখন মনকে প্রভুধ দিতে পারছেন। কারণ মেট্ররেলের এখন বাস্তব রূপ সকলের চোখে স্পষ্ট।
 
কর্তৃপক্ষ বলছে, পুরো প্রকল্পের অগ্রগতি ৩৮ শতাংশ। তবে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মোট কাজের ৬৪ শতাংশই শেষ হয়ে গেছে। আর কেবল উত্তরা অংশেই রেল লাইনের পাটাতন পড়েছে টানা ৮ কিলোমিটার। সেই অংশে রেলের ট্র্যাক বসানোর প্রস্তুতি চলছে। 

রাজধানীর দিয়াবাড়িতে যখন আমরা পৌঁছায় তখন সকালের সোনা রোদে ঝকঝক করছে রূপালী কাটমুড় মেট্রোরেলের পাটাতন। 

ওদিকে দিয়াবাড়ি ছাড়িয়ে দিগন্ত যতটা দেখা যায়, সেখানটাতেই হবে মেট্রোরেলের ডিপো। এদিকটা লোকালয়ের বাইরে। তাই সাধারণের কাছে মেট্রোরেলের অগ্রগতির কথা হয়ত এতটা অজানা। 
কিন্ত আরেকটু এগিয়ে মিরপুর-ডিওএইচএস ঘেঁষে ছুটে যাওয়া মেট্রোরেলের পথ বিস্তৃত হয়েছে মিরপুর-১২, ১১ হয়ে ১০ পর্যন্ত। সেখানেও বসেছে রেলের পাটাতন। চলছে ট্র্যাক বসানোর কাজ। 

নিচে ব্যস্ত সড়ক মেট্রোরেলের কাজের জন্যই আরো সরু। তারপরেও সাধারণের মনে একটায় স্বস্তি এগিয়ে চলেছে মেট্রোরেলের কাজ। 

দিনে ৪ লাখ ৮৩ হাজার মানুষকে পৌঁছে দিতে পারবে এই মেট্রোরেল। ঘন্টায় পারাপার করবে ৬০ হাজার যাত্রী। থাকবে ১৬টি স্টেশন রাজধানীর উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত। ৩ তলা বিশিষ্ট একেকটি স্টেশনে থাকবে আধুনিক সব ব্যবস্থা। 

মিরপুর অংশে যখন আমরা কাজ করছিলাম তখন সূর্য পশ্চিমাকাশে। বিকেলের সোনারোদেও ঝকঝকে এক রেল লাইন চোখে পড়লো সেখানে। সোনালী রোদে সোনালী পথ টানা চলে গেছে অনেকটা দূর পর্যন্ত। 

২০২১ সালের বিজয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীতে সকলে চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে এই মেট্রোরেল। কাজের অগ্রগতি সেই লক্ষ্য পূরণেরই নিশ্চয়তা দিচ্ছে। 

দৈনিক জামালপুর
দৈনিক জামালপুর
এই বিভাগের আরো খবর