• বৃহস্পতিবার   ৩০ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৬ ১৪২৯

  • || ২৯ জ্বিলকদ ১৪৪৩

দৈনিক জামালপুর

জামালপুরে তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার আইন বাস্তবায়ন বিষয়ক কর্মশালা

দৈনিক জামালপুর

প্রকাশিত: ১৯ জুন ২০২২  

ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধি থেকে রক্ষা এবং অকাল মৃত্যুরোধে সরকার প্রণিত ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন ২০০৫ বাস্তবায়নে জেলা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্য ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের নিয়ে জামালপুরে দিনব্যাপী এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসকের সম্মেলনে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী জেবুন্নেছা বেগম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন একই মন্ত্রণালয়ের বিশ্বস্বাস্থ্য অধিশাখার অতিরিক্ত সচিব নিলুফার নাজনীন।

১৮ জুন জেলা প্রশাসন আয়োজিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক শ্রাবস্তী রায়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা নির্বাহী হাকিম আব্দুল্লাহ আল মামুন। সভায় অন্যান্যের মাঝে আলোচনায় অংশ নেন সিভিল সার্জন ডা. প্রণয় কান্তি দাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ মোকলেছুর রহমান, জামালপুর পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন, বিএমএ এর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. মোশায়ের উল আলম, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সৈয়দ আতিকুর রহমান ছানা, জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মাহফুজুর রহমান, পিপি আইনজীবী নির্মল কান্তি ভদ্র, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরা মোস্তারী ইভা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক, সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যাপক অব্দুল হাই আল হাদী, জেলা স্কাউটের সহকারী পরিচালক পরেশ চন্দ্র বর্মন, জামালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতির প্রতিনিধি ও উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শুভ্র মেহেদী, ঝাউলা গোপালপুর কলেজের শিক্ষক তারিকুল ফেরদৌস প্রমুখ।

কর্মশালায় তামাক নিয়ন্ত্রনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, জনসমাবেশে ও গণপরিবহনে ধূমপান মুক্তকরণ, তামাকবিরোধী প্রচার, প্রচারণা জোরদারকরণ, তামাক কোম্পানির বিজ্ঞাপন অপসারণ করা, তরুণদের ধূমপানে নিরুৎসাহিত করতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা, সরকারি, বেসরকারি সংস্থাসমুহের উদ্বুদ্ধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করাসহ প্রণিত আইন ব্যাপকভাবে প্রচার এবং আইনের প্রয়োগ করার জন্য জোর সুপারিশ করা হয়।

প্রধান অতিথি স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী জেবুন্নেছা বেগম জীবন থেকে নেওয়া উদাহরণ দিয়ে বলেন, শৈশবে আমরা পড়ালেখার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং মুক্তমাঠে খেলাধুলা, ছোটাছুটি করা, অবাধ সাঁতার কাটা, সুস্থধারার আড্ডায় মেতে থেকেছি। আর এখন অভিভাবকরা সন্তানদের ভারী বইয়ের ব্যাগ কাঁধে তুলে দিয়ে স্কুল, কোচিং দৌড়াদৌড়িতে ব্যস্ত। এ প্লাসের নেশায় তারা মত্ত থাকে। ঘরে এসে ইন্টানেটে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। একটা পর্যায়ে মানুষ হবার বদলে ডিরেল হয়ে পড়ে। এ অবস্থা থেকে আমাদের পরিত্রাণ না হলে পরিণতি ভয়াবহ হবে। এক্ষেত্রে তিনি সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

দৈনিক জামালপুর
দৈনিক জামালপুর