• সোমবার   ৩০ জানুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ১৭ ১৪২৯

  • || ০৭ রজব ১৪৪৪

দৈনিক জামালপুর

মাদারগঞ্জে বছরের পর বছর ধরে চলছে অবৈধ স মিলের রমরমা ব্যবসা

দৈনিক জামালপুর

প্রকাশিত: ১৮ জানুয়ারি ২০২৩  

 জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলায় সরকারের অনুমোদন ছাড়াই চালাছে শতাধিক অবৈধ স মিল (করাত কল) কল মালিকরা সরকারকে রাজস্ব ফাঁকিদিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে রমরমা ব্যবসা। অনুমোদন হীন এসব স মিলে মাসের পর মাস চলছে
বিভিন্ন ধরনের কাঠ চেরাই। এতে ধ্বংস হচ্ছে বনজ,ফলদসহ নানা প্রজাতির গাছ। এসব দেখার যেন কেউ নেই। এর ফলে একদিকে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে অন্য দিকে সরকার প্রতিবছর হারাচ্ছে বিপুল পরিমান রাজস্ব আয়। এসব অবৈধ করাদ কল গুলি সরকারী আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন মহল। বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে,বন আইন ১৯২৭ এর বিধিমালা ও ২০১২ অনুযায়ী কোন স মিলের মালিক সরকারী অনুমোদন বা লাইসেন্স না নিয়ে স মিলের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেনা। লাইসেন্স নেওয়ার পর থেকে প্রতিবছর তা নবায়ন করতে হবে। বন বিভাগ থেকে আরও জানাগেছে,এই উপজেলায় একটি পৌরসভা সহ ৭টি ইউনিয়নে শতাধিক করাত কল রয়েছে। তার মধ্যে ১২/১৩ টির লাইসেন্স রয়েছে, কিন্তু সে গুলোর নবায়নও হয়নি ঠিকমতো।আর বাকী করাত কল গুলির নেই কোনো সরকারী অনুমোদন বা লাইসেন্স । ফলে নবায়নের প্রশ্নই আসেনা। পৌর সভার সদরে বালিজুড়ী বাজার,জোনাইল বাজার ওগাবের গ্রাম বাজারে ৮/৯টি করাত কল রয়েছে। এ ছাড়া ৭টি ইউনিয়নের বাজার গুলিতে এবং বাজারের আশ পাসে রাস্তার পাশেই অনেক গুলি করাদ কল স্থাপন করা হয়েছে। সেই করাত কল দিয়ে বছরের পর বছর ধরে মালিকেরা আরাম করে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। স মিল চালানোর ক্ষেত্রে সরকারের সূ নিদিষ্ট বিধান থাকলেও এ উপজেলার চিত্র একেবারেই বিপরিত। কোন কোন স মিলের মালিক ১০/১২ বছর যাবৎ সরকারী অনুমোদন ছাড়াই স মিল চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে এসব
স মিলের চত্বরে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে এনে থরে থরে মজুত করে রাখা হয়েছে। ভোর থেকে মধ্যেরাত পর্য়ন্ত এসব স মিলে বিরামহীন ভাবে চলছে কাঠ চেরার কাজ। এ বিষয়ে ১নং চরপাকেরদহ ইউনিয়নের কোয়ালীকান্দি গ্রামের স মিল মালিক হেলাল মিয়া,মুনজু মিয়া,মালেক উদ্দিন,তেঘরিয়া বাজারের স মিল মালিক গবি মিয়াসহ সকলেই জানান,আমরা দীর্ঘ
দিন যাবৎ অনুমোদন বিহীনভাবে স মিল চালিয়ে আসতেছি । স মিল পরিচালনা করতে কোন প্রকার সমস্যা হয়নী। কেউ কোন দিন লাইসেন্স করার বিষয়ে কখনো কিছুই বলেনী। কেউ যদি বিষয়টি নিয়ে কোন সময় আমাদেরকে বলত তাহলে
আমরা লাইসেন্স করার উদ্যোগ নিতাম। পৌরসভা এলাকার স মিল মালিক সাজেদুল ইসলাম জানান,দীর্ঘ দিন যাবৎ লাইসেন্স ছাড়াই স মিল পরিচালনা করতেছি এতে কোন প্রকার অসুবিধা হয়নী। মাদারগঞ্জ উপজেলার বন বিভাগের ফরেষ্টার সারুয়ার জাহানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন যে ২০০৩ সালে এই উপজেলায় ৮১টি স মিল ছিল তার মধ্যে ৩০টি মিলের লাইসেন্স করা হয়েছিল। সেগুলি এখন কোন অবস্থায় আছে সেটা আমার জানা নাই। সেই ৩০টি স মিলের লাইসেন্স গুলি নবায়ন হয়েছে কিনা সেটা আমার জানা নাই। বর্তমানে এই উপজেলায় দুই শতাধিক স মিল রয়েছে। তারা সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা

দৈনিক জামালপুর
দৈনিক জামালপুর