• শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ৯ ১৪৩০

  • || ১১ শা'বান ১৪৪৫

দৈনিক জামালপুর

রৌমারীতে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া

দৈনিক জামালপুর

প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি ২০২৩  

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে শিশু ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া। গত এক সপ্তাহে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা বৃদ্ধ, শিশু ডায়রিয়া ও  নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে ৩৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। 

তার মধ্যে নাফিস (৪০) দিন, সাজলিন (৬) মাস, পলাশ (৬) মাস, জুলেখা (১১) মাস, নুর মোহাম্মদ (১১) মাস, তাবাচ্ছুন (১) বছর ও আছিরন (৪০)সহ ৩৫ জন ভর্তি হয়েছে।  এদের মধ্যে কয়েকজন শিশুর অবস্থা খুবই খারাপ। 
অপর দিকে বৃদ্ধ লোকও ঠান্ডা জনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। আক্রান্ত রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে নার্সরা। চিকিৎসক সংকটের কারনে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা। হাসপাতালের বেডে জায়গা না হওয়ায় বারান্দায় রাখা হয়েছে অনেক শিশু রোগীদের। রোগীর সাথে আসা অভিভাবকদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় ভীর জমছে হাসপাতালে। রোগীর জায়গা না হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। রোগীদের অভিযোগ শুধু স্যালাইন ও কিছু ট্যাবলেট ছাড়া কিছু দেওয়া হয় না হাসপাতাল থেকে। তবে চিকিৎসকরা বলছেন পর্যাপ্ত ঔষুধ মুজুদ রয়েছে। 
শিশু সাজলিনার মা তামান্না খাতুন বলেন, আমার বাচ্চার গত বুধবার হঠাৎ করে পাতলা পায়খানা শুরু হয়। পরে দ্রæত হাসপাতালে ভর্তি করি। ঔষুধপত্র সব হাসপাতাল থেকে দিচ্ছে। 
এব্যাপারে রৌমারী হাসপাতালেরে চিকিৎসক ডা. জাহাঙ্গীর আলম (আরএমও) বলেন, শৈত্য প্রবাহ, পচন্ড ঠান্ডা ও রোটা ভাইরাসের কারনে বৃদ্ধ ও শিশুরা নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। মাঝে মধ্যে গরম ও হঠাৎ ঠান্ডার কারনে শিশুরা ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। দিনের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে এরোগের প্রাদুর্ভাব অনেকটা কমে যাবে।
রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান বলেন, অতিরিক্ত ঠান্ডার কারনে শিশু ও বৃদ্ধ মানুষ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। প্রতিদিনেই হাসপাতালে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার রোগী ভর্তি হচ্ছে। চিকিৎসক ও  নার্সরা সার্বক্ষণিক গুরত্বসহকারে রোগীদের সেবা দিয়ে আসছেন। ডায়রিয়া রোগীর জন্য পর্যাপ্ত পরিমান খাবার স্যালাইন ও ঔষুধ মুজুুদ রয়েছে। তবে কোন আশঙ্কা নেই।
 

দৈনিক জামালপুর
দৈনিক জামালপুর