• বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৩০ ১৪৩১

  • || ০৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

দৈনিক জামালপুর

মক্কা নগরীর মর্যাদা সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সা.) যা বলেছেন

দৈনিক জামালপুর

প্রকাশিত: ২২ মে ২০২৪  

মক্কা নগরী বিশ্বের প্রতিটি মুমিন মুসলিমের নিকট পবিত্রতম স্থান হিসেবে পরিচিত। মক্কা নগরীর এতো সম্মান ও মর্যাদা এতে অবস্থিত বায়তুল্লাহ বা কাবার কারণে। আর তাই প্রত্যেক মুমিন মুসলমানের অন্তরে মক্কায় গিয়ে আল্লাহর ঘর দেখার একান্ত ইচ্ছা রয়েছে।

মক্কায় অবস্থিত পবিত্র মসজিদে হারাম পৃথিবীর সর্বপ্রথম নির্মিত মসজিদ। আবু জর গিফারি (রা.) থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! পৃথিবীতে সর্বপ্রথম কোন মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে? তিনি বললেন, ‘মসজিদে হারাম। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এরপর কোনটি? তিনি বললেন, মসজিদে আকসা’। (বুখারি : ৬/৪৫৮) এই মসজিদে এক রাকাত নামাজের সওয়াব এক লাখ রাকাতের সমপরিমাণ। 

জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেন, ‘আমার এই মসজিদে (মসজিদে নববি) ১ রাকাত নামাজ আদায় করা মসজিদে হারাম ব্যতীত অন্য যেকোনো মসজিদে ১ হাজার রাকাত নামাজ আদায় করার চেয়ে উত্তম, আর মসজিদে হারামে ১ রাকাত নামাজ আদায় করা মসজিদে নববি ব্যতীত অন্য যেকোনো মসজিদে ১ লাখ রাকাত নামাজ আদায় করার চেয়ে উত্তম’। (মুসনাদে আহমদ : ৩/৩৪৩)

মক্কার প্রতি মানুষের অন্তরের বিশেষ আকষর্ণের আরেকটি কারণ এই ভূমিতে আল্লাহর রাসূল (সা.) জন্মগ্রহণ করেছেন। এর প্রতি সবসময় রাসূল (সা.) এর ভালোবাসা ছিল।

আবদুল্লাহ ইবনে আদী ইবনে হামরা (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ‘হাযওয়ারা’ নামক স্থানে ছিলেন তখন তাকে উটের ওপর সওয়ার অবস্থায় বলতে শুনেছি, وَاللهِ إِنَّكِ، لَخَيْرُ أَرْضِ اللهِ، وَأَحَبُّ أَرْضِ اللهِ إِلَيَّ، وَاللهِ لَوْلَا أَنِّي أُخْرِجْتُ مِنْكِ، مَا خَرَجْتُ

অর্থ: ‘আল্লাহর কসম! নিশ্চয়ই তুমি আল্লাহর শ্রেষ্ঠ জমিন আর আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয়। আল্লাহর কসম! যদি আমাকে তোমার (বুক) থেকে চলে যেতে বাধ্য না করা হতো, তাহলে আমি কখনো যেতাম না’। (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৩১০৮)

এই নগরীর মর্যাদা সম্পর্কে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, মক্কা বিজয়ের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘোষণা করেছেন, إن هذا البلد حرمه الله يوم خلق السماوات والأرض، فهو حرام بحرمة الله إلى يوم القيامة

অর্থ: ‘নিশ্চয়ই আসমান-জমিন সৃষ্টির দিনই আল্লাহ এই জমিনকে সম্মানিত করেছেন। সুতরাং কেয়ামত পর্যন্ত তা সম্মানিত’।...। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৩৫৩)

দৈনিক জামালপুর
দৈনিক জামালপুর