• সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৩০ ১৪৩১

  • || ০৭ মুহররম ১৪৪৬

সর্বশেষ:
ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর হামলার নিন্দা করেছেন প্রধানমন্ত্রী কানেক্টিভিটিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ট্রাভেল এজেন্টদের সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়ন তিন হাজার বাংলাদেশি কর্মী নেবে ইইউভুক্ত চার দেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘কোটা সংস্কারের’ দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি পেশ রেলওয়ের পোষ্য কোটা নিয়ে রুল জারি হাইকোর্টের ঝালকাঠিতে জেলা আইন শৃঙ্খলা উন্নয়ন বিষয়ক সভা কোটা বিরোধী আন্দোলনকে বিএনপি সরকার বিরোধী রূপ দেওয়ার পাঁয়তারা প্রান্তিক জনগোষ্ঠির চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা সরকারের কাজ প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর: সংবাদ সম্মেলনের বক্তৃতার পূর্ণ বিবরণ

চার এয়ারলাইন্সের কাছে ১ হাজার ২২৩ কোটি টাকা পাবে বেবিচক

দৈনিক জামালপুর

প্রকাশিত: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩  

দেশের চার বেসরকারি এয়ারলাইন্সের কাছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) পাওনা ১ হাজার ২২২ কোটি ৯৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এয়ারলাইন্সগুলো হলো– রিজেন্ট এয়ারওয়েজ, নভোএয়ার, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ ও জিএমজি এয়ারলাইন্স।

এর মধ্যে নভোএয়ার ছাড়া অপর তিনটির কার্যক্রম বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। এ তিনটির কাছে পাওনা রয়েছে ১ হাজার ১৯২ কোটি টাকার বেশি।

রোববার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এসব তথ্য জানানো হয়।

কমিটির সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর সভাপতিত্বে সদস্য মোশাররফ হোসেন, আশেক উল্লাহ, সৈয়দা রুবিনা আক্তার, কানিজ ফাতেমা আহমেদ বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পাওনা টাকা আদায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।

এর আগে কমিটির একাধিক বৈঠকে বেসরকারি এয়ারলাইন্সের কাছে বেবিচকের পাওনা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছিল। গতকালের বৈঠকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন তুলে ধরে বেবিচক। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মে পর্যন্ত হিসাবে ইউএস-বাংলা ও এয়ার এস্ট্রার কাছে কোনো পাওনা নেই। দেশে নভোএয়ার, ইউএস-বাংলা ও এয়ার এস্ট্রার কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও জানানো হয়।

বেবিচকের তথ্যমতে, রিজেন্ট এয়ারের কাছে ৪০৮ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার এবং জিএমজির কাছে ৩৯৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকার বেশি পাওনা আছে। ইউনাইটেড এয়ারের কাছে ৩৮৮ কোটি ৯৭ লাখ টাকার বেশি এবং নভোএয়ারের কাছে পাওনা আছে ২৯ কোটি ৪৮ লাখ টাকার মতো।

এদিকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল সংস্কার কার্যক্রম তদন্তে গঠিত সাব-কমিটির প্রতিবেদনটি গতকাল কার্যবিবরণী আকারে বৈঠকে উপস্থাপিত হয়।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সরকারি অর্থ অপ্রয়োজনে কিছু লোকের সুবিধার জন্য ব্যয় করা হয়েছে। ২৬ বর্গমিটারের কক্ষ বাড়িয়ে ৪০ বর্গমিটার করা হয়েছে। এতে ২৭২টি কক্ষের মধ্যে ৪৬টি কমে কক্ষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২৬টি। এসব কার্যক্রম অপ্রয়োজনীয়। 

দৈনিক জামালপুর
দৈনিক জামালপুর