• বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ৩ ১৪৩১

  • || ১০ মুহররম ১৪৪৬

যথাসময়ে ছেড়ে যাচ্ছে ট্রেন স্বস্তিতে যাত্রীরা

দৈনিক জামালপুর

প্রকাশিত: ১৫ জুন ২০২৪  

এবারের ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ট্রেনযাত্রায় অন্য সময়ের তুলনায় কম ভোগান্তিতে পড়ছেন যাত্রীরা। এছাড়া চাপ থাকলেও কমলাপুর থেকে যথাসময়ে ট্রেন ছেড়ে যাওয়ায় যাত্রীরা সন্তোষ প্রকাশ করছেন। অনলাইনে আগাম না মিললেও স্ট্যান্ডিং টিকিটেই স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে ঢাকা ছাড়ছেন নগরবাসী। কানায় কানায় পূর্ণ বগিতে লম্বা সময় দাঁড়িয়ে যাত্রাও বাধা হতে পারছে না। শুক্রবার সরেজমিন কমলাপুর স্টেশনে দেখা গেছে, এ যেন এক প্রতিযোগিতা। কার আগে কে উঠবে ট্রেনে। দরজা দিয়ে উঠতে না পেরে অনেকেই বগিতে সওয়ার হয়েছেন জানালা দিয়ে। আর এ চিত্রের দেখা মিলেছে কমলাপুরের ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মে একতা এক্সপ্রেস ঢুকলে। শুধু একতা নয়, প্রায় সব ট্রেনেই একই অবস্থা। অনলাইনে টিকিট না পেয়ে দূরের যাত্রায় ভরসা এখন স্ট্যান্ডিং টিকিট। ট্রেনে স্ট্যান্ডিং টিকিটের এক যাত্রী বলেন, যেভাবেই হোক যাব। কষ্ট হলেও যেতে হবে। পঞ্চগড় যাব। মা-বাবার সঙ্গে ঈদ করব-এটা একটা আনন্দ। এ কষ্ট আর আমাদের কষ্ট মনে হয় না। অবশ্য এ স্ট্যান্ডিং টিকিটের কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সিটের যাত্রীদের। তবে স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করার উচ্ছ্বাসে বাধা হতে পারছে না কিছুই। ঢাকা রেলওয়ের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা শাহ আলম কিরণ শিশির যুগান্তরকে জানান, শুক্রবার আন্তঃনগর ট্রেনের প্রায় সবকটি শিডিউল অনুযায়ী চলাচল করেছে। দুয়েকটি ট্রেন ১০ মিনিট থেকে ৩০ মিনিট বিলম্বে চলাচল করেছে। এ সময়টুকু মূলত যাত্রীসেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিলম্ব হয়েছে। আসনবিহীন (স্ট্যান্ডিং) ২৫ শতাংশ টিকিট দেওয়া হয়েছে। ঈদযাত্রায় ট্রেনে ভোগান্তি নেই-রেলমন্ত্রী : রাজবাড়ী ও গোয়ালন্দ প্রতিনিধি জানান, রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম বলেছেন- ঈদুল আজহায় ট্রেনযাত্রায় মানুষের কোনো ভোগান্তি নেই। গত ঈদের মতো এবারও মানুষ নিরাপদে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে। এবার ঈদে ৩০টি ক্যাটল ট্রেনের মাধ্যমে আমরা গবাদিপশু পাঠানোর ব্যবস্থা করছি। শুক্রবার দুপুরে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পৌরসভায় জেলা পরিষদ ডাকবাংলো চত্বরে চারা রোপণ কার্যক্রম শেষে এ কথা বলেন তিনি। ১০ হাজার ফলদ ও বনজ বৃক্ষের চারা রোপণের আয়োজন করে গোয়ালন্দ পৌরসভা। রেলমন্ত্রী আরও বলেন, গোয়ালন্দ হতে বন্ধ ট্রেন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বগি ম্যানেজ করে ৪-৫ মাসের মধ্যে একটা নতুন ট্রেন চালু করা হবে। সেটা গোয়ালন্দ ঘাট হতে পোড়াদহ বা দর্শনা পর্যন্ত চলতে পারে। এছাড়া গোয়ালন্দের বন্ধ রেল স্টেশনগুলো লোকবল নিয়োগ করে খুব তাড়াতাড়ি চালু করা হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইরাদত আলী, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা এসএম নওয়াব আলী, গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা মুন্সি, গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র, গোয়ালন্দ পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম মণ্ডল, রাজবাড়ী পৌরসভার মেয়র মো. আলমগীর শেখ তিতু, গোয়ালন্দ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব ঘোষ, গোয়ালন্দঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত প্রাণবন্ধু বিশ্বাস প্রমুখ।

দৈনিক জামালপুর
দৈনিক জামালপুর