• বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ২ ১৪৩১

  • || ০৯ মুহররম ১৪৪৬

টাঙ্গাইলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি

দৈনিক জামালপুর

প্রকাশিত: ৯ জুলাই ২০২৪  

টাঙ্গাইলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে ছয়টি উপজেলার ১১ হাজার পরিবারের ৪৪ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। বন্যা কবলিত এলাকায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও শুকনা খাবারের সংকট। বন্যার্তরা জনপ্রতিনিধি ও সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন। 


টাঙ্গাইল জেলার ৪০ হাজার ৬৬ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত হয়েছে। এছাড়াও ৩৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। ৩০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি ৩ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে, ঝিনাই নদীর পানি ৩ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৯৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে ও ধলেশ্বরী নদীর পানি ৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ২৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কালিহাতীর দুর্গাপুর গ্রামের ফজলু মিয়া বলেন, আমাদের গ্রামের পাকা সড়কটি তলিয়ে গেছে। এছাড়াও প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ পানিবন্দি। জনপ্রতিনিধি বা সরকারের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো ত্রাণ পাইনি।

সদর উপজেলার দক্ষিণ খাস মগড়া গ্রামের আজিবর মিয়া বলেন, আমাদের গ্রামের প্রায় এক হাজার মানুষ পানিবন্দি। আমার মতো অনেকের পুকুরের মাছ চলে গেছে। এছাড়াও পাট ও বিভিন্ন সবজির খেত নিমজ্জিত হয়েছে। আমার গ্রামের কাঁচা সড়কটি উচু করে পাকা করলে অনেকের দুর্ভোগ কমে যেত। 

রাবেয়া বেগম বলেন, ভোটের সময় মেম্বার ও চেয়ারম্যানরা আসেন। এখন বিপদে আছি, এখন কেউ খোঁজখবর নিতে আসেন না। বন্যার সময় আমাদের খোঁজখবর নিলেও ভালো লাগে। এছাড়াও সাপের আতঙ্কে আছি। 

জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম বলেন, ছয় উপজেলার ১১ হাজার পরিবারের ৪৪ হাজার মানুষ পানিবন্দি। ভূঞাপুরে ৩০০, গোপালপুর ও কালিহাতীতে ১০০ প্যাকেট করে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়াও প্রতি উপজেলায় দুই হাজার করে পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট দেওয়া হয়েছে। 

দৈনিক জামালপুর
দৈনিক জামালপুর